সংবাদ প্রতিবেদন
৫ই আগস্টের পর গত চারমাসে সারাদেশে ৬৯টি মন্দিরে হামলা-ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে সনাতনী জাগরণ জোট।
শুক্রবার ২৭শে ডিসেম্বর গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের পক্ষ থেকে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।
জোটের অন্যতম সংগঠক গৌরাঙ্গ দাস ব্রহ্মচারী বলেছেন, গত ৫ই আগস্ট থেকে ২১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে হিন্দুদের মন্দিরে হামলার ঘটনার বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ওপর ভিত্তি করে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের ৪৯টি জেলায় ৫১টি কেস স্টাডি করে আমরা ৬৯টি মন্দিরে ভাংচুর, দখল ও চুরির বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছি।
জোটের বক্তব্য, ড. ইউনূসের সরকার ও কয়েকটি রাজনৈতিক দল হিন্দুদের ওপর ৫ই আগস্ট পরবর্তী যেসব হামলা চালানো হয়েছে, তাকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জড়িত বলে রাজনৈতিক কারণে হামলা করা হয়েছে বলে সহিসংতাগুলোকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করছে। তারা দাবি করেছে, হিন্দুদের ওপর এসব হামলা ধর্মীয় কারণে হয়নি।
তাই জোটের পক্ষ থেকে এই প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়েছে, কারণ ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোতে হামলা মানেই সাম্প্রদায়িক মনোভাব নিয়ে করা হয়েছে, উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে।
গণামধ্যমে প্রকাশিত না হওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় আরও অর্ধশতাধিক মন্দির ভাংচুর ও দখলের ঘটনার তথ্য পেয়েও তা এই প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হয়নি বলে নিশ্চিত করে সনাতনী জাগরণ জোট।
জাগরণ জোট আরও দুটি প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য কাজ করছে জানিয়ে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। যার একটি হলো- রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়– এমন হিন্দুদের বাড়িঘরে ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা এবং অন্যটি হলো- কথিত ধর্ম অবমাননার নামে গ্রেপ্তার হিন্দুদের বিষয়ে।
প্রতিবেদনগুলোর তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাইয়ের পর তা গণমাধ্যমে তুলে ধরা হবে বলে জানানো হয় বিবৃতিতে।
