এপিএসের অর্থ কেলেঙ্কারির পর বাবার ঠিকাদারি লাইসেন্স, ক্ষমা চাইলেন উপদেষ্টা আসিফ

এপিএসের অর্থ কেলেঙ্কারির পর বাবার ঠিকাদারি লাইসেন্স, ক্ষমা চাইলেন উপদেষ্টা আসিফ
শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক

দফায় দফায় তদ্বির বাণিজ্য ও কোটি টাকার আয় নিয়ে বিতর্কে থাকা উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের কার্যালয় এবার জড়িয়েছে পারিবারিক স্বার্থের দ্বন্দ্বে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের এ উপদেষ্টার বাবার নামে ঠিকাদারি লাইসেন্স ইস্যুর ঘটনায় ফের সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি। ফেসবুক পোস্টে বাবার পক্ষে ক্ষমা চেয়ে নিজের বিব্রত অবস্থার কথা জানিয়েছেন তিনি।

দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে আসিফ মাহমুদের এপিএস ও পিও’র বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার তদ্বির বাণিজ্যের অভিযোগ তোলা হয়। ঠিক তার একদিন পর উপদেষ্টা আসিফ জানান, তার বাবা একজন স্কুল শিক্ষক হলেও স্থানীয় এক ঠিকাদারের পরামর্শে এলজিইডি কুমিল্লা অফিস থেকে ঠিকাদারি লাইসেন্স করেন।

“আমি যেহেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছি, বাবার এই সংশ্লিষ্টতা স্বার্থের দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে,” ফেসবুক পোস্টে লেখেন তিনি। বিষয়টি বোঝার পর বাবার অনুরোধেই লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও লেখেন, “বাবা হয়তো ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’ বিষয়টি বুঝতে পারেননি, সেজন্য বাবার পক্ষ থেকে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।”

তার দাবি, এই লাইসেন্স ও তালিকাভুক্তি ব্যবহার করে কোনো কাজের জন্য আবেদন করা হয়নি।

বিষয়টি প্রথম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলেন ইউটিউবার জুলকারনাইন সায়ের।

তিনি জানান, চলতি বছরের ১৬ই মার্চ এলজিইডি কুমিল্লা কার্যালয় থেকে উপদেষ্টার পিতার প্রতিষ্ঠানের তালিকাভুক্তি হয়। যাচাই করে উপদেষ্টা স্বীকার করেন, ঘটনাটি সত্য, তবে তার জ্ঞাতসারে নয়।

এর আগে আসিফ মাহমুদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা সরকারি প্রকল্পে বরাদ্দ আনতে অর্থ লেনদেন করেছেন—এমন অভিযোগে তোলপাড় পড়ে যায়। ঠিক তার পরেই পরিবারের সম্পৃক্ততাও আলোচনায় এলো, যা স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

Visited 149 times, 1 visit(s) today