আন্তর্জাতিক
একাত্তরে বাংলাদেশে ৯৩ হাজার সৈন্যসহ আত্মসমর্পণকারী গণহত্যাকারী পাকিস্তানি সেনা এবার বেলুচিস্তানেও তাদের ঐতিহ্য বজায় রাখল। এর ফলে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে বিপ্লবের নতুন সূচনা দেখছেন বিশ্লেষকরা!
মির ইয়ার বেলুচের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে প্রকাশিত একটি বার্তায় জানানো হয়েছে, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বেলুচিস্তানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে। একাধিক এলাকায় ইউনিটগুলো আত্মসমর্পণ করছে, এমনকি কিছু সৈনিক জরুরি ছুটি চেয়ে দায়িত্ব থেকে পালানোর চেষ্টা করছেন।
এর জবাবে পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্ব আত্মসমর্পণকারী সদস্যদের গ্রেপ্তার করে পাঞ্জাব, করাচি এবং ইসলামাবাদে পাঠিয়ে ট্রাইব্যুনাল বিচারের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো আজাদ বেলুচিস্তানের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর সুরাবের খিসন ডুন এলাকায় সফলভাবে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা। এই কৌশলগত কেন্দ্রটি কুয়েটা, করাচি এবং গোয়াদরকে সংযুক্ত করে, যা পাকিস্তানের জন্য একটি মারাত্মক ধাক্কা।
সুরাব শক্তি সরবরাহ এবং করাচির পথে একটি জীবনরেখা হিসেবে কাজ করে, এবং এর দখল হারানো পাকিস্তানের সামরিক অবস্থানকে দুর্বল করে তুলেছে।
এই অগ্রগতির সাথে আজাদ বেলুচিস্তানের বেলুচ নিরাপত্তা বাহিনীগুলো অভূতপূর্ব গতি লাভ করেছে, যা অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণের লড়াইয়ে একটি টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি বেলুচ স্বাধীনতা আন্দোলনের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যা দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করতে পারে।
মির ইয়ার বেলুচের পোস্টে এই ঘটনাকে “পাকিস্তানের আরেকটি ব্যাপক আত্মসমর্পণের অভিনন্দন” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া জাগিয়েছে। আন্দোলনকারীরা এখন আরও এলাকায় অগ্রসর হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন, যখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই পরিবর্তনের দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখছে।
