নিজস্ব প্রতিবেদক
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি যখনই রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে, তখনই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে অর্থনীতিকে।
তার দাবি, বিএনপির সময় অর্থনীতি সবচেয়ে সচল ছিল। কারখানা বন্ধ রেখে লাখ লাখ শ্রমিককে বেকার করে অর্থনীতিতে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। কারখানা বন্ধ করে শ্রমিকদের কেন বেকার করা হচ্ছে এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেন তিনি।
শনিবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন ২০২৫ এ তিনি এ মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমি মনে করি, ব্যবসায়ীদের ব্যাপারে আমাদের চিন্তাভাবনা বদলানো জরুরি। যারা লুটপাট, দুর্নীতি ও ব্যাংক ডাকাতিতে জড়িত ছিলেন অবশ্যই তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। তবে তাদের মালিকানাধীন কারখানা বন্ধ করে হাজার হাজার শ্রমিককে বেকার করা সমাধান নয়। এটা কার স্বার্থে করা হচ্ছে?
তিনি জানান, এসব কারখানা সচল রেখে কর্মসংস্থান রক্ষা করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। না হলে দেশে বিপর্যয় নেমে আসবে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে কৃষক ও শ্রমিক ভাল থাকলেই অর্থনীতি টিকে থাকবে। কৃষকদের কাছে সার-বীজ ঠিকমতো পৌঁছালে কৃষি খাত আরও উন্নতি করবে।
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৭১ সালে সাড়ে ৭ কোটি মানুষের দেশে খাদ্যঘাটতি ছিল ২৮ লাখ মেট্রিক টন। আজ বাংলাদেশ খাদ্যে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ এটা বড় অর্জন। এটা ধরে রাখতে হবে।
জুলাই সনদে স্বাক্ষরের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, সংস্কারের বহু প্রস্তাব বিএনপি অতীতেই দিয়েছে। ২০১৬ সালে বেগম খালেদা জিয়া ‘ভিশন ৩০’ দিয়েছিলেন, যেখানে আজকের সংস্কার আলোচনার অনেক বিষয়ই ছিল।
২০২৩ সালে ঘোষিত আমাদের ৩১ দফাতেও অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংস্কারের প্রায় সব দিক তুলে ধরা হয়েছে, যোগ করেন তিনি।
তার কথায়, বিএনপি সব সময়ই বাংলাদেশকে নতুন ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্ররূপে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েই এগিয়েছে।
