❐ বিডি ডাইজেস্ট ডেস্ক
পেট্রোবাংলার সাম্প্রতিক দৈনিক গ্যাস ও কনডেনসেট উৎপাদন ও বিতরণ প্রতিবেদনে দেশের গ্যাস সরবরাহে উল্লেখযোগ্য হ্রাসের চিত্র উঠে এসেছে। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসের তুলনায় ২০২৬ সালের জুলাইয়ে গ্যাস সরবরাহ কমেছে প্রায় ১ বিলিয়ন ঘনফুট।
পেট্রোবাংলার প্রোডাকশন অ্যান্ড মার্কেটিং ডিভিশনের প্রতিবেদন অনুসারে, ২৯-৩০শে এপ্রিল ২০২৪ তারিখের প্রতিবেদনে গ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহের মোট পরিমাণ ছিল ৩,০৯৯ মিলিয়ন ঘনফুট।
অপরদিকে, ২৮-২৯শে জুলাই ২০২৬ তারিখের সর্বশেষ প্রতিবেদনে গ্র্যান্ড টোটাল গ্যাস উৎপাদন ২১১৮ মিলিয়ন ঘনফুট (প্রায়) দেখানো হয়েছে, যেখানে বিভিন্ন কোম্পানির (বাপেক্স, আইওসি, আরপিজিসিএল ইত্যাদি) অবদান বিশ্লেষণ করলে সামগ্রিক সরবরাহে হ্রাস লক্ষণীয়।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুসারে দুই বছরের ব্যবধানে গ্যাসের দৈনিক সরবরাহে যে হ্রাস ঘটেছে, তার সমষ্টিগত প্রভাব দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ বিলিয়ন ঘনফুট। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা ও গৃহস্থালি সরবরাহে চাপ বাড়ছে। .
বিশেষ করে আরপিজিসিএল (আর-এলএনজি) এবং অন্যান্য অপারেটরদের উৎপাদন ক্ষমতার তারতম্য এই সংকটকে আরও জটিল করেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্যাসক্ষেত্রগুলোতে নতুন অনুসন্ধান, ওয়েল ড্রিলিং ও আমদানি বাড়ানো ছাড়া এই সংকট মোকাবিলা কঠিন হবে। পেট্রোবাংলা কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানতে চেয়েছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
দেশের জ্বালানি খাতে এই হ্রাস জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
