জুলাই ষড়যন্ত্রের ‘শহীদ গেজেট’ সমাচার – মবের নৃশংসতায় আত্মত্যাগ – ৩

জুলাই ষড়যন্ত্রের ‘শহীদ গেজেট’ সমাচার – মবের নৃশংসতায় আত্মত্যাগ – ৩
শেয়ার করুন

অচেনা একজন

৫ই আগষ্টের পর থেকে আমাদের জাতির পশ্চাৎ চলমানতা শুরু হয়েছে। আমাদের গৌরবের দীর্ঘ দুই যুগের লড়াই, সংগ্রাম, আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ আর বিজয়ের ইতিহাস ছুড়ে ফেলে নতুন সংজ্ঞা প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা চলছে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা, বিজয়ের ইতিহাস পরিবর্তন করে নতুন সংজ্ঞায় নতুন নতুন স্বাধীনতা, বিজয় উপস্থাপন করা হচ্ছে।

এভাবে নতুন সংজ্ঞার তালিকায় যেমন যুক্ত হয়েছে নতুন স্বাধীনতা, নতুন ইতিহাস, ঠিক একইভাবে নানা রকম নতুন আলাপের ভীড়ে হাজির করা হয়েছে নতুন শহীদি সংজ্ঞা।

যদিও তথাকথিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ-২০২৫-এ ‘শহীদ’ এর সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ অর্থ-জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে তৎকালীন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা উক্ত সময়ে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সদস্যদের আক্রমণে মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তি’। কিন্তু বর্তমান নিয়মে চাঁদাবাজি, ধর্ষন বা যে কোন ভাবে মারা গেলেই নতুন সংজ্ঞায়িত শহীদের তালিকায় স্থান পাওয়া যায়। শর্ত শুধু একটাই, নিহত ব্যক্তিকে জুলাই ষড়যন্ত্রকারীদের পক্ষের হতে হবে। জুলাই ষড়যন্ত্রের পক্ষে হলেই শহীদি মর্যাদার পাশাপাশি তার পরিবার পাবে এককালীন নগদ টাকা, মাসিক ভাতা, চাকরির ক্ষেত্রে কোটা, বিনামূল্যে ফ্লাট, আরো নানা সুবিধা।

জুলাই ষড়যন্ত্রকারীদের পক্ষ থেকে সর্বপ্রথম দাবি করা হয়েছিলো সরকারী নিরাপত্তা বাহিনী ও লীগের নেতা-কর্মীদের হাতে নিহত ৪ হাজার। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে তা পর্যায়ক্রমে ৩ হাজার, ২ হাজার এবং ১ হাজার ৪ শত জনে নেমে আসে। জাতিসংঘ তাদের তদন্ত প্রতিবেদনে লিখেছে ১লা জুলাই হতে ১৫ আগষ্ট পর্যন্ত তথাকথিত আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সারা দেশে নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ৪ শত জন হতে পারে, যার মধ্যে ছাত্র – জনতা, পুলিশ, আনসার, র‍্যাবসহ লীগের নেতা-কর্মীরা রয়েছে। অবশেষে ১৫ই জানুয়ারী প্রকাশিত সরকারী শহীদ গেজেটে আসে ৮৩৪ জনের নাম, পটপরিবর্তনের আগে-পরে নিহত আওয়ামী লীগ ও এর সংগঠনের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের বাদ দিয়ে প্রকাশ হয় এই গেজেট। আগের পোষ্টগুলোতে বলেছি, এই গেজেটে আছে পুলিশের উপর হামলা, থানা-ফাঁড়ি – অস্ত্রাগার লুট ও অগ্নিসংযোগ করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে, কারাগার থেকে পালাতে গিয়ে, কারাগারে হামলা করতে গিয়ে, আওয়ামী লীগার নেতাদের বাড়ীঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লুটপাট – অগ্নিসংযোগ করার সময় নিজেদের আগুনে অগ্নিদগ্ধ হয়ে, নিজের কাছে থাকা অস্ত্রের আত্মঘাতি গুলিতে, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়, সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে, কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে, চাঁদাবাজী করতে গিয়ে গণপিটুনিতে, ধর্ষণের অভিযোগে গণপিটুনিতে, মবের আক্রমনের শিকার হয়ে নিহতদের নাম।

আজকের সমাচারে থাকছে শহীদের গেজেটে স্থান পাওয়া ধর্ষনের দায়ে, চাঁদাবাজির অপরাধে, উম্মত্ত মবের হামলায় নিহত কয়েকজনের নাম। এখানে প্রত্যেকটা হত্যাকান্ডই ঘটেছে তথাকথিত আন্দোলনকারীদের নৃশংস বর্বর সন্ত্রাসে।

গেজেটে স্থান পাওয়া ১৫৭ নম্বর শহীদ (!) সাইদুল ইসলাম ইয়াছিন এবং ৮২৭ নম্বর শহীদ (!) সাইফ আরাফাত শরীফ

আজকের সমাচার দারুন ইন্টারেস্টিং একটা ঘটনা দিয়ে শুরু করছি। আজ গেজেটে স্থান পাওয়া ১৫৭ নম্বর শহীদ (!) সাইদুল ইসলাম ইয়াছিন এবং ৮২৭ নম্বর শহীদ (!) সাইফ আরাফাত শরীফ – এ দু’জন তথাকথিত বীর শহীদের মহান আত্মত্যাগের আলোচনা করবো।

৫ই আগষ্টের পর থেকে অনেকদিন পর্যন্ত সারা দেশের থানা পুলিশ প্রশাসন কিছুই কার্যকর ছিলো না। ঐসময় ছিলো শুধু সমন্বয়ক নামধারী দুর্বৃত্তদের নৈরাজ্য। তখন পুরো যাত্রাবাড়ী এলাকায় স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলো বর্তমানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক রাকিব হোসেন। রাকিব হোসেন ঐ এলাকায় বিভিন্ন জনকে বিভিন্ন দায়িত্ব বন্টন করে। যাত্রাবাড়ী এলাকায় ট্রাফিকের দায়িত্ব পেয়েছিলো ইয়াছিন ও শরীফ সহ কয়েকজন। ১৩ই আগষ্ট বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে তল্লাশির নামে হয়রানী, চাঁদাবাজি করতে গিয়ে ইয়াসিন ও শরীফ সহ অন্যরা হোটেলে অবস্থানরত কুমিল্লা থেকে আসা এক দম্পতিকে আটক করে। পরে পুরুষটিকে এক কক্ষে আটকে রেখে নারীকে অন্য কক্ষে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ করে তারা। এই গুরুতর অভিযোগ যাত্রাবাড়ী থানা পাহারার দায়িত্বে থাকা শিক্ষার্থীদের কাছে আসলে তারা ইয়াসিন ও শরীফ কে আটক করে যাত্রাবাড়ি থানায় নিয়ে আসে এবং সেখানেই পিটিয়ে হত্যা করে। ঐ একইদিন কিছু সময়ের ব্যবধানে আরেকটি ধর্ষণের অভিযোগে আবাসিক হোটেল রোজ ভিউর ব্যবস্থাপক রাহাত হাসান বিপুকেও সায়েদাবাদ এলাকায় পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ( https://samakal.com/capital/article/297122 )

আরো টুইস্ট আছে। প্রধানমন্ত্রী দেশত্যাগ করে ৫ই আগষ্ঠ এবং এই হত্যাকান্ড ঘটে ১৪ই আগষ্ট। তারপরও এই ঘটনায় শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদেরসহ ১৩ জনকে আসামি করে ২রা সেপ্টেম্বর একটি হত্যা মামলা দায়ের করে নিহত সাইদুল ইসলাম ইয়াছিন এর মা শিল্পী আক্তার এবং

ঐ একই দিন শামীম ওসমান ও নজরুল ইসলাম বাবু সহ আওয়ামী লীগের ৯৪ জনকে আসামি করে আরেকটি হত্যা মামলা দায়ের করে নিহত সাইফ আরাফাত শরীফ এর মা মোসা. মরিয়ম। ( https://www.banglatribune.com/others/861105/শেখ-হাসিনা-কাদেরসহ-৩৩৯-জনের-বিরুদ্ধে-৫-হত্যা-মামলা )

যাত্রাবাড়ী এই ঘটনা নিয়ে আগের পোষ্ট লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/share/p/19CEXt2LhT

গেজেটের ১৭৯ নম্বর শহীদ (?) নাম আবু সাঈদ।

যুবদল নেতা আবু সাঈদ ডেমরা এলাকার চিহ্নিত চাঁদাবাজ, তার বিরুদ্ধে ডেমরা থানাসহ রাজধানীর বিভিন্ন থানায় অন্তত ৬টি মামলা রয়েছে। গত বছরের ৩রা এপ্রিল ট্যাংরা শফুরউদ্দিন মার্কেট সংলগ্নে এলাকায় চাঁদাবাজির সময় হাতেনাতে গ্রেপ্তার হয়ছিলো সাঈদ। পট পরিবর্তনের পর ৫ই আগষ্টও সাঈদ ডেমরা বাহির ট্যাংরা এলাকায় এসেই পুনরায় নানারকম তাণ্ডব শুরু করে, আমতলা এলাকায় আব্দুল হক নামে জনৈক গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ছেলে হাসান ও তার ভাইকে বেধড়ক মারধর করে। অনেকের গদি ও দোকানপাটসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর করে। এরপর ইউনুসের ক্ষমতা দখলের ঠিক পরেরদিন ৯ই আগষ্ট আবু সাঈদ পুনরায় তার বাহিনী নিয়ে ঐ এলাকায় গিয়ে চাঁদাবাজি ও তান্ডব শুরু করে। দীর্ঘ দিনের ক্ষোভ থেকে ক্ষিপ্ত হয়ে এলাকাবাসী তাকে গনপিটুনি দেয় এবং বাহিনী প্রধান সাঈদকে হত্যা তার লাশ ওরিয়েন্টাল স্কুলের দক্ষিণ পাশে ফেলে রাখে। ( https://www.ajkerpatrika.com/bangladesh/dhaka/ajptk4mwfmxhb )

শহীদ গেজেটে ৭৯৭ নম্বরে রয়েছে যশোর সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদ এর নাম।

এবারে বলবো আরো চমকপ্রদ এক শহীদের কথা। শহীদ গেজেটে ৭৯৭ নম্বরে রয়েছে যশোর সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদ এর নাম। ফিরোজ আহমেদ যশোর শহরের লোন অফিসপাড়ার একটি বাড়ির দ্বিতীয় তলায় থাকতেন।

৫ই আগষ্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর বিকালে দুর্বৃত্তরা ঐ বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং লুটপাট চালায়। সেই সময়ে বাড়িতে ফিরোজ আহমেদের স্ত্রী ও দু’সম্তান আটকা পড়ে। এক সন্তানের বয়স মাত্র ১৫ দিন ও অন্যটির ৩ বছর। ফিরোজ আহমেদ তার পরিবারকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী ত্রান অফিসারের বাড়িতে আশ্রয় নেয়, এসময় আগুন ও ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে ফিরোজ আহমেদ অসুস্থ হয়ে পড়ে, ফুসফুসে ধোঁয়া ঢুকে যায়। পরবর্তীতে যশোর শহরেব ইবনে সিনা হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে রাত ৯টায় ইন্তেকাল করে।

( https://www.jugantor.com/tp-city/969326)

হাসপাতাল ইস্যুকৃত ফিরোজ আহমেদের মৃত্যুসনদে মৃত্যুর কারণ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে-‘ফেইলুর ডিউ টু সার্ডেন কার্ডিয়াক ডেথ, স্মোক ইনহেলেশন”।

 গেজেটের ৩৭৪ নাম্বারে আছে রবিউল ইসলাম এর নাম।

তার সম্পূর্ণ নাম রবিউল ইসলাম লিমন (https://www.facebook.com/darkprince.limon )। লিমন হত্যার ঘটনা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। তথাকথিত জুলাই আন্দোলনে অংশ নেয়া লিমন ৫ই আগষ্ট বিকালে রাজধানীর উত্তরায় তার নিজ এলাকায় অনুষ্ঠিত বিজয় মিছিলে অংশগ্রহন করে।

হটাৎ মিছিল থেকে উম্মত্ত মব তাকেই রংপুরের আবু সাঈদ এর হত্যাকারী পুলিশ কর্মকর্তা সন্দেহে গনপিটুনি দেয়া শুরু করে। প্রচন্ড মারধর করার পর তাকে তার বাসা থেকে সামান্য একটু দূরে উত্তরার হাউজ বিল্ডিং এলাকায় গাছের সাথে উল্টো করে ঝুলিয়ে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করে। ( https://www.ajkerpatrika.com/bangladesh/dhaka/ajp3vc1rgzsfy )

লিমনকে মারতে বাধা দিতে যেয়ে তার চাচা মারাত্মকভাবে আহত হোন। তার পরিবার থেকে লাশ আনতে গেলে উম্মত্ত মবের জনগন কখনও লিমনকে ‘আবু সাইদের হত্যাকারী পুলিশ’, কখনও ‘ছাত্রলীগের ক্যাডার’ বলে তার লাশ না দিয়ে গাছেই ঝুলিয়ে রেখে আনন্দ উদযাপন করতে থাকে। ( লিমনের স্ত্রীর ফেসবুক পোস্ট https://www.facebook.com/share/p/1C7CYJJ48N/ )

চমকপ্রদ বিষয় হলো, যেহেতু লিমন তথাকথিত আন্দোলন চলাকালে বা আন্দোলন দমাতে খুন হয়নি, উলটা সে নিজে আন্দোলনের পক্ষে থাকার পরও আন্দোলনকারী দুর্বৃত্তদের আঘাতেই খুন হয়, সেই কারনে তার নাম শহীদ গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রেও চালাকির আশ্রয় নেয়া হয়েছে। গেজেটে রবিউল ইসলাম লিমনের সম্পূর্ন নাম দেয়া হয়নি, তার পিতার নামের আগেও মৃত উল্লেখ করা হয়নি। এমনকি তার উত্তরার বাসার ঠিকানাও গেজেটে দেয়া হয়নি !!

শুধু লিমনের ক্ষেত্রেই নয়, ঘোষিত ৮৩৪ জনের এই ‘শহীদ গেজেট’ করতে পরিকল্পিতভাবে নানা চতুরতার আশ্রয় নেয়া হয়। লক্ষ্য ছিলো যেভাবেই হোক তথাকথিত ‘শহীদ গেজেট’ এ শহীদ এর তালিকা দীর্ঘ করতে হবে, তাই বিভিন্ন কারনে মৃত ব্যক্তিদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এবং গেজেটে অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিদের নিহত হওয়ার তারিখ, সময়, ঘটনাস্থল, মারা যাওয়ার কারন উল্লেখ করা হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ ঠিকানাও উল্লেখ করা হয়নি। এমনকি নিহত ব্যক্তির বয়স এবং পেশাও উল্লেখ নাই। ইচ্ছাকৃত ভাবে অতি সহজ বাংলা বানান ভুল করা করা হয়েছে, তালিকাটি তৈরীতে বিভাগ বা জেলাওয়ারি কোন পদ্ধতিও অনুসরন করা হয়নি। এর একমাত্র উদ্দেশ্য হলো কোন নিহতের তথ্য পাওয়া, তালিকার কারো নাম যাচাই করা কিংবা সত্য-মিথ্যা নির্ধারণ করা যেন সবার পক্ষে অসম্ভব হয়ে যায়।

আপনারাই ভেবে বের করুন, এরকম ধর্ষক যারা ১৪ই আগষ্ট খুন হয়েছে বা যে চাঁদাবাজ ৯ই আগষ্ট খুন হয়েছে অথবা লিমন, যে নিজেদের লোকের হাতেই খুন হয়েছে, অথবা ফিরোজ আহমেদ যে তাদেরই উম্মত্ততায় নিহত হয়েছে তারা কিভাবে শহীদ হয় ??

এভাবে কতো রকমের শঠতার আশ্রয় নিয়ে আর কতো জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করে তথাকথিত শহীদ গেজেট দীর্ঘ করা হয়েছে ???

এতদসংক্রান্ত প্রথম পর্বের লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/share/p/1C6QwaXRwn,

প্রথম পর্বের আপডেটঃ https://www.facebook.com/share/p/18GkUtBSxV,

এবং

দ্বিতীয় পর্বের লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/share/p/16oN6oZFmo

 

Visited 36 times, 1 visit(s) today