বগুড়ায় বিএনপি নেতার চোখ উপড়ে নিলো জামায়াতের সন্ত্রাসীরা, শোকে স্তব্ধ মায়ের মৃত্যু

বগুড়ায় বিএনপি নেতার চোখ উপড়ে নিলো জামায়াতের সন্ত্রাসীরা, শোকে স্তব্ধ মায়ের মৃত্যু
শেয়ার করুন
❐ জেলা প্রতিনিধি

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ সময় সহিংস জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা মাঝগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মাসুদ রানা মজিদের চোখ উপড়ে ফেলে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে শোকে স্তব্ধ হয়ে স্ট্রোক করে মারা যান মজিদের মা মাজেদা খাতুন।

এ ঘটনায় জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা।

সোমবার রাতের সংঘর্ষে নন্দীগ্রাম উপজেলার পারশুন গ্রামে মাসুদ রানা মজিদ ছাড়াও অন্য আহতারা হলেন, তার ভাই ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী রবিউল ইসলাম এবং ছাত্রশিবিরের বগুড়া শহর শাখার সাথী পারশুন গ্রামের আসাদুল্লাহ হিল গালিব।

মাসুদ ও তার ভাই রবিউলকে প্রথমে বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মাসুদকে মঙ্গলবার ঢাকায় জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণের জন্য স্থানীয় জামায়াতকর্মী বেলাল হোসেন ও ফারুক আহম্মেদ পারশুন গ্রামে যান। এ সময় বিএনপির লোকজন তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেন। কিন্তু পুলিশ আসার আগেই জামায়াতের সশস্ত্র নেতাকর্মীরা অন্য এলাকা থেকে সেখানে গিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়।

তারা মাঝগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মাসুদ রানা মজিদের বাড়িঘর ভাঙচুর করে মাসুদের ডান চোখ উপড়ে ফেলে।

এ ঘটনায় আজ বগুড়া-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোশারফ হোসেন ও জামায়াত প্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করে একে অপরকে দায়ী করেছেন।

নন্দীগ্রাম থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, এখনও থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নন্দীগ্রামের ইউএনও ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আরা বলেন, উভয় পক্ষ আমাকে বিষয়টি জানালে আমি পুলিশ এবং এসিল্যান্ডকে পাঠিয়েছিলাম। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Visited 6 times, 1 visit(s) today