ইউনূস সরকারের দুর্নীতি ও দেশবিরোধী চুক্তিগুলো খতিয়ে দেখার আহ্বান ড. ইউনূসেরই আস্থাভাজন ড. দেবপ্রিয়র!

ইউনূস সরকারের দুর্নীতি ও দেশবিরোধী চুক্তিগুলো খতিয়ে দেখার আহ্বান ড. ইউনূসেরই আস্থাভাজন ড. দেবপ্রিয়র!
শেয়ার করুন

❐ নিজস্ব প্রতিবেদক


অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সময়ে সংঘটিত দুর্নীতি ও দেশবিরোধী বিভিন্ন চুক্তি এবং বিতর্কিত সিদ্ধান্তসমূহ তদন্তে একটি ট্রানজিশন টিম (উত্তরণকালীন দল) গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক সিপিডি ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

ওই সময়ের বিদেশি ক্রয় ও বৈদেশিক চুক্তিগুলো পুনর্বিবেচনার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন ড. ইউনূসের একান্ত আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিতি ড. দেবপ্রিয়। এমনকি অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান তিনি।

গতকালরাজধানীর মহাখালীর ব্রাক সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘নতুন সরকারের সূচনাবিন্দু: অর্থনৈতিক পর্যালোচনা’ শীর্ষক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এসব বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ড. দেবপ্রিয় বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার কোনো ধরনের দুর্নীতিতে সম্পৃক্ত ছিল কি না, তা নিরপেক্ষভাবে যাচাইয়ের জন্য একটি ট্রানজিশন টিম গঠন জরুরি। প্রাথমিকভাবে এ টিম সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পর্যালোচনা করবে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের অন্যান্য সংস্থাকে পদক্ষেপ গ্রহণের ভিত্তি দেবে। প্রয়োজনে দুর্নীতি দমন কমিশনকেও এ প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা যেতে পারে।

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এ ধরনের ট্রানজিশন টিম সাধারণত দুই ধরনের সদস্য নিয়ে গঠিত হয়—সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ স্বাধীন বিশেষজ্ঞ। প্রয়োজনে এ টিম ফরেনসিক তদন্ত পরিচালনার সক্ষমতাও রাখতে পারে।

ড. দেবপ্রিয় আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সম্পাদিত বিভিন্ন সরকারি ক্রয় চুক্তি ও বৈদেশিক সমঝোতাগুলো নতুন করে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। যথাযথ পর্যালোচনার মাধ্যমে এসব চুক্তিতে কোনো অনিয়ম বা ব্যত্যয় ঘটেছে কি না, তা স্পষ্ট হওয়া করা দরকার।

তিনি উল্লেখ করেন, বিদায়ী সরকারের শেষ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে, যা শুধু বন্দর ব্যবস্থাপনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং অন্যান্য কৌশলগত খাতেও বিস্তৃত। এসব চুক্তির অনেক তথ্য এখনো পুরোপুরি জনসমক্ষে আসেনি।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, নতুন সরকারের ওপর এসব চুক্তির কী ধরনের দায়-দায়িত্ব বর্তাবে, তা অনুধাবনের স্বার্থেই চুক্তিগুলো পুনর্বিবেচনা জরুরি।

Visited 6 times, 1 visit(s) today