যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত ২০২৬ বিশ্বকাপের করুণ অভিজ্ঞতার পর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন নেইমার দ্য সিলভা জুনিয়র।
পূর্ণ ফিটনেস ছাড়াই ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে যোগ দিয়েছিলেন সান্তোসের এই ফরোয়ার্ড। দুই ম্যাচ মিলিয়ে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন কেবল অল্প কিছু সময়। শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে পাওয়া গোলটিই হয়ে থাকল টুর্নামেন্টে তাঁর একমাত্র গোল।
সেই শেষ ষোলোর মঞ্চেই সেলেসাওদের ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে বিদায় করে দেয় নরওয়ে। এর মাধ্যমে ২০০২ সালের পর আরও একটি বিশ্বকাপে ট্রফিশূন্য থাকার বেদনা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় ব্রাজিলকে।
সংবাদ সম্মেলনের এক পর্যায়ে ২০৩০ বিশ্বকাপে তাঁকে দেখা যাবে কিনা জানতে চাওয়া হলে বেশ সোজাসাপ্টা জবাব দেন নেইমার, ‘জাতীয় দলের সঙ্গে আমার রোমাঞ্চকর ভ্রমণের সমাপ্তি ঘটেছে। সেখানে আমি ইতিহাস তৈরি করেছি, আর এতে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।’
‘ফুট মারকাতো’র বরাত দিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, ‘অনেক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে আমাকে যেতে হয়েছে। জার্সির জন্য আমি সর্বদা নিজের সেরাটা দিয়েছি এবং লড়াই করেছি, তবে মনে হয় এবার থামার সময় এসেছে।’
৩৪ বছর বয়সী এই তারকা ফুটবলারের সঙ্গে সান্তোসের বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে ২০২৬ সালের শেষভাগে। এরপর নিজের পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।
ব্রাজিল জাতীয় দলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবেই বিদায় নিলেন নেইমার। চার বিশ্বকাপে সেলেসাওদের হলুদ জার্সিতে ১৩০ ম্যাচে তাঁর গোলসংখ্যা ৮০টি।
