২৪টি এসি চালাতে ৭ কোটি টাকার সাবস্টেশন, ই-জিপির শর্তের তোয়াক্কা না করে ঠিকাদারের নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ

২৪টি এসি চালাতে ৭ কোটি টাকার সাবস্টেশন, ই-জিপির শর্তের তোয়াক্কা না করে ঠিকাদারের নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ
শেয়ার করুন

❐ স্থানীয় সংবাদদাতা


বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের (শজিমেক) অডিটোরিয়াম কাম মাল্টিপারপাস হলের তিনটি গ্যালারিতে ৭৩ লাখ ১৪ হাজার ৫২০ টাকা খরচ করে ২৪টি এসি বসানো হয়েছে।

এসব এসি চালাতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ লাগবে—এ কারণ দেখিয়ে এবার ৩ হাজার কিলোওয়াট ক্ষমতার নতুন সাবস্টেশন নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছে বগুড়া গণপূর্ত অধিদপ্তর। এতে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ কোটি ৭৫ লাখ ২৪ হাজার ৭৪১ টাকা।

প্রস্তাবিত সাবস্টেশনের ব্যয় এসি স্থাপনের খরচের প্রায় নয় গুণ। তবে বিদ্যমান ৫০০ কিলোওয়াট সাবস্টেশনের সক্ষমতা আরও ৫০০ কিলোওয়াট বাড়ালেই প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ লোড সামাল দেওয়া সম্ভব বলে সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ মনে করছেন।

শজিমেকের কয়েকজন শিক্ষকও ৩ হাজার কিলোওয়াট ক্ষমতার সাবস্টেশন নির্মাণের প্রস্তাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

এদিকে ই-জিপির শর্ত না মেনে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মাসুমা বেগম কেন কম ক্ষমতার এবং চীনে তৈরি নিম্নমানের জেনারেটর সরবরাহ করেছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

বগুড়া গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আল মামুন হক বলেন, ভবিষ্যতে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়তে পারে—এ বিষয়টি বিবেচনা করেই হয়তো ৩ হাজার কিলোওয়াট ক্ষমতার সাবস্টেশনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

Visited 4 times, 4 visit(s) today