অনূর্ধ্ব-২৩ দল নিয়ে এসেও সাফ জেতার আশায় ভারত

অনূর্ধ্ব-২৩ দল নিয়ে এসেও সাফ জেতার আশায় ভারত
শেয়ার করুন

স্বাগতিক বাংলাদেশকে ২০২৬ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফেভারিট মানছেন ভারতের প্রধান কোচ নওশাদ মুসা। তবে অনূর্ধ্ব-২৩ পর্যায়ের ফুটবলারদের নিয়ে এসেও ঢাকায় শিরোপা ধরে রাখার স্পষ্ট লক্ষ্য নিয়েই এসেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আগামী ৫ থেকে ১৭ নভেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আঞ্চলিক ফুটবলের এই আসর। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে ১৯ জন ফুটবলার ও ৫ জন কোচিং স্টাফের প্রতিনিধিদল নিয়ে মঙ্গলবার ঢাকায় পৌঁছায় ৯ বারের চ্যাম্পিয়ন দলটি। ভারতের এই দলে বেশ কয়েকজন সিনিয়র আন্তর্জাতিক ফুটবলার আসেননি। আসেননি দলের নিয়মিত কোচ খালিদ জামিল। তারা মূলত নিয়ে এসেছে অনূর্ধ্ব-২৩ দল। তাদের মূল দল এই সময়ে যাবে নিউজিল্যান্ডে। 

২০০৯ ও ২০১৮ সালে ঢাকাতেই অনূর্ধ্ব-২৩ দল নিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিয়ে সাফল্য পেয়েছিল ভারত। ২০০৯ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি ২০১৮ সালেও রানার্সআপ হয়েছিল তারা। তবে গত ২০২৩ আসরে ব্যাঙ্গালুরুতে মূল দল নিয়েই শিরোপা জিতেছিল দলটি। এবার ইন্ডিয়ান সুপার লিগের (আইএসএল) ক্লাবগুলো থেকে বেশ কয়েকজন তারকা ফুটবলারকে না পাওয়ায় তরুণদের ওপর ভরসা রাখতে হচ্ছে ভারতকে।

টি-স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভারতীয় কোচ নওশাদ মুসা বলেন, ‘সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে আমরা যখনই খেলতে আসি, আমাদের লক্ষ্য থাকে শিরোপা জেতা। আমরা ভালো ফুটবলও উপহার দিতে চাই।’

প্রবাসী ফুটবলারদের অন্তর্ভুক্তিতে শক্তিশালী হয়ে ওঠা বাংলাদেশকে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন প্রাক্তন এই ভারতীয় ফুটবলার। বাংলাদেশ সম্পর্কে তার বক্তব্য, ‘পরিসংখ্যান ও দল বিবেচনা করলে বাংলাদেশ এখন টুর্নামেন্টের সবচেয়ে শক্তিশালী দল। তাদের সাথে কবে দেখা হবে জানি না, তবে আশা করি ফাইনালে বাংলাদেশকেই প্রতিপক্ষ হিসেবে পাব।’

আইএসএলের একাধিক শীর্ষ তারকাকে না পাওয়ার বিষয়টি চ্যালেঞ্জিং হলেও বর্তমান তরুণ স্কোয়াডের ওপর আস্থা রাখছেন ৫৫ বছর বয়সী এই কোচ, যিনি ২০২৫ সাল থেকে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘গত অক্টোবর থেকে আইএসএল চলছে, যে কারণে প্রথম ম্যাচের জন্য ক্লাবগুলো থেকে কিছু খেলোয়াড়কে পাওয়া সম্ভব হয়নি। এটি অবশ্যই একটি চ্যালেঞ্জ। তবে তাদের ছাড়াও আমাদের দলটি বেশ শক্তিশালী।’

তরুণদের সুযোগ কাজে লাগানোর ব্যাপারে তিনি যোগ করেন, ‘আমার দলে বেশ কয়েকজন দারুণ প্রতিভাবান খেলোয়াড় রয়েছে। তারা পারফর্ম করতে ক্ষুধার্ত এবং মূল দলে নিজের জায়গা নিশ্চিত করতে নিজেদের প্রমাণ করতে মুখিয়ে আছে।’

বৃহস্পতিবার টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে ভারত। একই দিনে জাতীয় স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ম্যাচে ভুটানের মুখোমুখি হবে স্বাগতিক বাংলাদেশ। উদ্বোধনী ম্যাচ নিয়ে ভারতীয় কোচ বলেন, ‘পাকিস্তান একটি ভালো দল। শারীরিকভাবে তারা বেশ শক্তিশালী, তবে আমাদের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে এবং আমরা সেভাবেই খেলব।’

Visited 3 times, 1 visit(s) today